লেখকঃ ভুতের আড্ডা
এক
বাইরে এসে একটা সিগারেট ধরালো মামুন।
একগাল ধোঁয়া ছেড়ে গায়ের চাদরটা দিয়ে কান-মাথা ভালো করে ঢেকে নেয়।
আশপাশে কোনো রিক্সা চোখে পড়ছে না।
রাত এমন কিছু বেশি হয়নি, সাড়ে দশটা। তবে মফস্বল শহরে শীতকালে সাড়ে দশটাই গভীর রাত। এদিক-সেদিক তাকিয়ে হলের উদ্দেশ্যে পা বাঁড়ায়। দূরত্ব
মঙ্গলবার, ২৩ মার্চ, ২০১০
'অপেক্ষা'
লেখকঃ সিজানুর রহমান
মোতাহার ভবনের সামনে দাড়িয়ে আছি বেশ কিছুক্ষন। আমার পাশে রাসেল। ও বেশ বিরক্ত, বার বার ঘড়ি দেখছে। শেষ পর্যন্ন ও বিরক্ত হয়ে বলেই বসল, “কিরে আর কতক্ষন অপেক্ষা করবি? দশটা বাজে।” আমি কোন কথা না বলে আগের মতই দাড়িয়ে থাকলাম। রাসেল আবার বলল, “দোস্ত সকালে নাস্তা হয়নি! আমি যাই?” বললাম, “তোকে
মোতাহার ভবনের সামনে দাড়িয়ে আছি বেশ কিছুক্ষন। আমার পাশে রাসেল। ও বেশ বিরক্ত, বার বার ঘড়ি দেখছে। শেষ পর্যন্ন ও বিরক্ত হয়ে বলেই বসল, “কিরে আর কতক্ষন অপেক্ষা করবি? দশটা বাজে।” আমি কোন কথা না বলে আগের মতই দাড়িয়ে থাকলাম। রাসেল আবার বলল, “দোস্ত সকালে নাস্তা হয়নি! আমি যাই?” বললাম, “তোকে
বুড়ো-বুড়ি ও শেয়ালের গল্প : একটি বিষ্ণুপ্রিয়া মণিপুরী লোকগল্প
লেখকঃ কুঙ্গ থাঙ
অনেকদিন আগের কথা। গ্রামের এক প্রান্তে এক বুড়োবুড়ি দম্পতি বাস করতো। তাদের কোন ছেলেমেয়ে ছিল না তাই নিজেরাই কৃষিকাজ করে যা পেতো তাই দিয়ে খেয়েপরে বাচঁতো।সামনে কচুমুখি লাগানোর সময়। বুড়োবুড়ি ঠিক করলো বাড়ির পেছনের ছোট্ট জমিতে মুখির চাষ করবে। বুড়োবুড়ি দুজনে কোদাল নিয়ে
অনেকদিন আগের কথা। গ্রামের এক প্রান্তে এক বুড়োবুড়ি দম্পতি বাস করতো। তাদের কোন ছেলেমেয়ে ছিল না তাই নিজেরাই কৃষিকাজ করে যা পেতো তাই দিয়ে খেয়েপরে বাচঁতো।সামনে কচুমুখি লাগানোর সময়। বুড়োবুড়ি ঠিক করলো বাড়ির পেছনের ছোট্ট জমিতে মুখির চাষ করবে। বুড়োবুড়ি দুজনে কোদাল নিয়ে
খরগোশ ও কচ্ছপের গল্প
রচনাকালঃ এপ্রিল ২০০৪
মাসিক কলমীকণ্ঠ মে ২০০৪, বৈশাখ ১৪১১ সংখ্যায় প্রকাশিত
মিজান রহমান শ্রেষ্ঠ
২০০৪ সালের ১৪ ই জানুয়ারী ।
তখন শীত কাল। আনজুরহাট বাজারের পশ্চিম পাশে ইউনিয়ন পরিষদের পুকুরের নতুন পাকা সিঁড়ির পাঁচ নম্বর ঘাটে বসে রোদ পোহাচ্ছিল একটা কচ্ছপ। সিঁড়ি থেকে একটু উত্তরে সামান্য জঙ্গলের মতো, সেখানে কিসের যেন একটা শব্দ হতেই ঝপাৎ করে পুকুরে লাফ দিল কচ্ছপটি। কিছুক্ষণ পরে আবার মৃদুপায়ে সে আবার সিঁড়ির সেই ধাপেই এসে বসলো। বড্ড শীত পড়েছে দেশে। এই
মাসিক কলমীকণ্ঠ মে ২০০৪, বৈশাখ ১৪১১ সংখ্যায় প্রকাশিত
মিজান রহমান শ্রেষ্ঠ
২০০৪ সালের ১৪ ই জানুয়ারী ।
তখন শীত কাল। আনজুরহাট বাজারের পশ্চিম পাশে ইউনিয়ন পরিষদের পুকুরের নতুন পাকা সিঁড়ির পাঁচ নম্বর ঘাটে বসে রোদ পোহাচ্ছিল একটা কচ্ছপ। সিঁড়ি থেকে একটু উত্তরে সামান্য জঙ্গলের মতো, সেখানে কিসের যেন একটা শব্দ হতেই ঝপাৎ করে পুকুরে লাফ দিল কচ্ছপটি। কিছুক্ষণ পরে আবার মৃদুপায়ে সে আবার সিঁড়ির সেই ধাপেই এসে বসলো। বড্ড শীত পড়েছে দেশে। এই
সোমবার, ২২ মার্চ, ২০১০
একটি ফাইজলামি টাইপ ছোট গপ্পো
লেখকঃ ধুসর আকাশ
বিজ্ঞানী গুল্লু সাহেব, দীর্ঘদিন পয়সা কামাইবার ধান্ধায় বহু কিছু করিয়াছেন। কিন্তু ইদানীং আর তার গ্রহ ভাল ঠেকিতেছে না। তার ভাতে টান পরিয়াছে। আগে দেশের বাইরে কাজ করিতেন। সেইখানে ঠিক কদর পাইতেছিলেন না। নিজের কদর বুঝাইবার লোভে তিনি দেশে আসিয়া ইংরেজী সিনেমা দেখিয়া এবং বিভিন্ন জনের লেখা পড়িয়া সাইন্স সিকশন লেখা শুরু করিলেন, এবং বলাই বাহুল্য তিনি ব্যাপক ফর্মে চলিয়া আসিলেন।
শনিবার, ৬ ফেব্রুয়ারি, ২০১০
হৈমন্তী (মানুষের ছোট গল্প)
হৈমন্তী
লেখকঃমানুষ
কন্যার বাপ সবুর করিতে পারিতেন কিন্তু আমি সবুর করিতে চাহিলাম না। কারণ আমার মস্তকের টাকটি বাড়াবাড়ি রকমের বাড়িয়া যাইতেছে, আর কিছুদিন গেলে সেটাকে ভদ্র বা অভদ্র কোনো রকমে চাপা দিবার সময়টিও পার হইয়া যাইবে। কন্যা দেখিতে যেমনি হউক কিন্তু তাহার বাবার ব্যাংক ব্যালান্সের আপেক্ষিক গুরুত্ব কম নহে। অতএব কাল বিলম্ব না করিয়া বিবাহের পিড়িতে বসিবার জন্য উদগ্রীব হইয়া উঠিলাম।
ছুটি (মানুষের ছোট গল্প)
ছুটি
লেখকঃমানুষ
বখাটেদিগের সর্দার ফইটক্যার মাথায় একটা নতুন মতলবুদয় (মতলব+উদয়) হইল। বালিকা বিদ্যালয় সংলগ্ন যে ছোট্ট চায়ের দোকানটা রহিয়াছে, ঠিক হইল উহার সামনে অবস্থিত বেঞ্চিতে সকলে বসিয়া থাকিবে। উক্ত স্থানে বসিয়া বালিকাদিগকে উত্তক্ত করিলে, তাহাদের মনে কি পরিমান বিরক্তি ও অসুবিধা বোধ হইবে, তাহাই উপলব্ধি করিয়া বখাটেরা এ প্রস্তাবে সম্পূর্ণ অনুমোদন করিল।
এতে সদস্যতা:
পোস্টগুলি (Atom)